Header Ads Widget

যুদ্ধের ময়দানে এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স: রোবট আর ড্রোনই কি ঠিক করে দেবে হার-জিত?

 


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুদ্ধক্ষেত্র এখন আর কেবল রক্ত-মাংসের মানুষের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই; এটি রূপ নিয়েছে প্রযুক্তির এক মহাযুদ্ধে। ইউক্রেনের ১১০তম ব্রিগেডের একজন অভিজ্ঞ যোদ্ধার মতে, বর্তমান ফ্রন্টলাইনগুলোতে মানুষের চেয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) এবং রোবটের ভূমিকা এখন অনেক বেশি নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রযুক্তির লড়াই যখন তুঙ্গে: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, রোবোটিক সিস্টেম এবং এআই-চালিত ড্রোনগুলো রণকৌশল পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। ওই যোদ্ধার ভাষ্যমতে:

  • স্বয়ংক্রিয় ড্রোন: এআই-এর মাধ্যমে এখন এমন সব ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে যা মানুষের নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই শত্রুপক্ষকে শনাক্ত করে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে।

  • রোবোটিক গ্রাউন্ড ভেহিকল: দুর্গম এলাকায় রসদ পৌঁছে দেওয়া বা আহত সৈন্যদের উদ্ধারের জন্য এখন রোবটচালিত ছোট যান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সৈন্যদের জীবনের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।

  • ইলেকট্রনিক যুদ্ধ: শত্রুর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করতে বা ড্রোনকে অকেজো করে দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে শক্তিশালী জ্যামিং সিস্টেম চালানো হচ্ছে।

যোদ্ধাদের নতুন চ্যালেঞ্জ: ১১০তম ব্রিগেডের ওই সৈন্য জানান, প্রযুক্তি একদিকে যেমন সুবিধা দিচ্ছে, অন্যদিকে বিপদও বাড়িয়েছে। কারণ শত্রুপক্ষও সমানতালে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এখন ড্রোন থেকে বাঁচার জন্য প্রতি মুহূর্তে সৈন্যদের কৌশল বদলাতে হচ্ছে। এটি এখন আর কেবল বীরত্বের লড়াই নয়, বরং কে কার চেয়ে উন্নত সফটওয়্যার বা অ্যালগরিদম তৈরি করতে পারে, তারই লড়াই।

ভবিষ্যৎ কী? প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, আমরা এমন এক যুগের দিকে যাচ্ছি যেখানে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধের বদলে স্ক্রিন এবং প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমেই যুদ্ধের ফলাফল নির্ধারিত হবে। রোবট এবং এআই-এর এই জয়জয়কার বিশ্বজুড়ে সামরিক শক্তিগুলোর জন্য এক নতুন সতর্কবার্তা।


"তথ্যসূত্র: সাসপিলনে মিডিয়া"

Post a Comment

0 Comments